Cookie Policy          New Registration / Members Sign In
PrabashiPost.Com PrabashiPost.Com

নরকর্ণ-মুষিক সংবাদ

মানুষের কান আবার সংবাদে ফিরে এসেছে। তবে এবার ইঁদুরের পিঠে চেপে নয়, টিস্যু ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে ।

Dilip Das
Sun, Jul 6 2014

About Dilip

A public health physician in New Zealand, Dilip Das hails from a village in West Bengal’s Burdwan district. His literary interests include writing ‘belles-lettres’ (রম্য-রচনা) and short stories. He is the Joint Editor of Ankur. Please click here for the latest issue of ‘Ankur’


More in Culture

Happy Colours of Life

Durga Puja in London: The UnMissables

Mahishasura Mardini

একা বোকা

 
কিছুদিন আগের কথা। পিতামহ ব্রহ্মা মহর্ষি নারদের সঙ্গে তাঁর ঢেঁকিতে চেপে মর্ত্যলোক পরিদর্শনে বেরিয়েছেন। তাঁকে মাঝেমাঝেই এরকম বেরোতে হয়। যদিও তিনি পালনকর্তা নন, তবু তিনিই তো সারা বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টিকর্ত্তা। তাই তাঁর সৃষ্টিতে কোথায় কি ঘটছে তার খোঁজখবর রাখতে হয়। আফ্রিকার এইডস্‌ মহামারী ভারতবর্ষ এবং চীনের মত জনবহুল ভূখণ্ডে ছড়িয়ে পড়লে ধরিত্রীর প্রজা-ভারসাম্য রক্ষা হবে কিনা, মর্ত্যলোকের গুদামঘরগুলিতে যতগুলি পারমাণবিক বোমা মজুত আছে সেগুলিতে বিস্ফোরণ হলে তাঁর সাধের মর্ত্যলোকের কি পরিণতি হতে পারে – এইরকম অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এই ভ্রমণকালে নারদের সঙ্গে তাঁর শলা-পরামর্শ হয়। ইদানীং তাঁর একটু চিন্তার কারণ ঘটেছে। তিনি শুনেছেন মর্ত্যলোকে তাঁরই সৃষ্ট মনুষ্য নামধারী জীবেরা তাঁর সৃষ্টিতত্ত্বের প্রায় সমস্ত রহস্যই নাকি উদ্ঘাটন করে ফেলেছে। শূণ্যমার্গে ঢেঁকিতে চড়ে যেতে যেতে নারদের কাছ থেকে এ ব্যাপারে তিনি বিস্তারিত খবরাখবর নিচ্ছিলেন। নারদ বলছিলেন, “পিতামহ, মর্ত্যলোকের মানুষেরা এখন আপনার সৃষ্টিতত্ত্ব-রহস্যের শুলুক-সন্ধান অনেকটাই পেয়ে গেছে। কিছুদিন আগে শুনলাম তারা নাকি ইঁদুরের পিঠের উপর মানুষের কান গজিয়েছে (১নং চিত্র দ্রষ্টব্য)।

 চিত্র ১ – মর্ত্যলোকের গবেষণাজাত ‘নরকর্ণ-মুষিক’

(টাইম্‌স পত্রিকায় প্রকাশিত আলোকচিত্রের অনুকরণে অঙ্কিত)


ব্রহ্মা আশ্চর্য্য হয়ে বললেন, “ইঁদুরের পিঠের উপরে মানুষের কান! তাই দিয়ে এই বিশ্ব-সংসারের কি উদ্দেশ্য সাধিত হবে? কয়েক বছর আগে সুকুমার রায় নামে এক বাঙালী লেখক ‘বকচ্ছপ’ ‘হাঁসজারু’ ইত্যাদি অদ্ভূতদর্শন শঙ্কর জীবের কথা লিখেছিল বটে। তা মানুষ বুঝি এখন অস্ত্রোপচার করে একটা জীবের অঙ্গ-প্রতঙ্গ অন্য প্রজাতির জীবের দেহে জুড়ে দিতে শিখেছে? তারা তো একটা মানুষের বৃক্ক, হৃৎপিণ্ড ইত্যাদি অঙ্গ অন্য মানুষের দেহে অহরহই বসাচ্ছে। মনে হচ্ছে এই অঙ্গ প্রতিস্থাপনের কৌশলটা একই প্রজাতির প্রাণীর মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একাধিক প্রজাতির মধ্যে প্রয়োগ করতে পারদর্শী হয়ে উঠেছে ওরা। তা আমি তো এতে চিন্তার কোন কারণ দেখিনা। দেবলোকে যদি ‘গজমুণ্ড গণেশ’ বা ‘ছাগমুণ্ড দক্ষ’ থাকতে পারে তবে মর্ত্যলোকে ‘নরকর্ণ মুষিক’ থাকতে বাধা কোথায়? তবে আমি বুঝতে পারছি না ইঁদুরের পিঠে বসানোর জন্য খামোকা একটা মানুষ অন্য মানুষের কান কাটতে যাবে কেন। মানুষের কান বুঝি এখন খুব সহজলভ্য? তাই বুঝি মর্ত্যলোকে এখন অনেক দুকান-কাটা লোকের কথা শুনতে পাই?”

নারদ বললেন, “পিতামহ, ব্যাপারটা ঠিক সে রকম নয়। এটা ঠিক অস্ত্রোপচার করে গজমুণ্ড গণেশ বা নরকর্ণ মুষিক সৃষ্টি নয়। অস্ত্রোপচার হল স্থূল রক্তারক্তির ব্যাপার। মানুষ এখন অনেক সুক্ষ্ম ব্যাপার নিয়ে নাড়াচাড়া করতে শুরু করেছে। তারা এখন ক্লোনিং করতে শিখেছে, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং করতে শিখেছে।”

ব্রহ্মা বললেন, “তোমার কথা কিছু বুঝতে পারছি না, নারদ। ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’টা একটু আধটু বুঝি – যে বিদ্যা দিয়ে বিশ্বকর্মা কলকারখানা বানায় এবং চালায়। কিন্তু ‘ক্লোনিং’ না কি বললে? ঐ শব্দটি তো কখনও শুনেছি বলে মনে পড়ছে না। হয়তো ওটি ফরাসি শব্দ। আমি আবার ফরাসি ভাষা খুব ভাল একটা বুঝিনা। তুমি আমাকে হয় সংস্কৃত, না হয় বাংলায় বুঝিয়ে বল।”

নারদ বললেন, “ক্লোনিং ব্যাপারটি খুবই সূক্ষ্ম এবং জটিল। আমিও যে খুব ভাল একটা বুঝি তা নয়। তবে আপনাকে একটা উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করছি, ধৈর্য্য ধরে শুনুন।”

ব্রহ্মা বললেন, “সেই ভাল।”

নারদ তাঁর ব্যাখ্যা শুরু করলেন। “এই যে আপনি মর্ত্যলোক পরিদর্শনে যাচ্ছেন, ধরুন এই কথাটা ওখানে বেশ প্রচারিত হয়েছে এবং মর্ত্যলোকের প্রাজ্ঞ, জ্ঞানীগুণী মানুষজন আপনার সাক্ষাৎপ্রার্থী। ধরুন তাঁদেরই একজন – বর্ষীয়ান, বিরলকেশ, শুভ্রশ্মশ্রু বৈজ্ঞানিক – আপনার কাছে এই নিবেদন করলেন, ‘পিতামহ, আমরা মর্ত্যলোকের বৈজ্ঞানিকেরা মনুষ্য এবং মনুষ্যেতর অনেক জীবজন্তু এবং উদ্ভিদ নিয়ে গবেষণা করেছি। কিন্তু দেবলোক বা ব্রহ্মলোকের কোন কিছু নিয়ে গবেষণা করার সুযোগ আমাদের হয়নি। এখন আপনি আমাদের মাঝে অল্প সময়ের জন্য এসেছেন। দয়া করে আপনি যদি আপনার ঐ শ্বেতশুভ্র শ্মশ্রুর একটি কেশ আমাদের দেন তো তাই নিয়ে আমরা কিঞ্চিৎ গবেষণা করতে পারি।’ আপনি ভাবলেন এ আবার বাহুল্য কি? দাড়ির একটা চুল বই তো আর কিছু নয়। আপনি সানন্দে আপনার দাড়ির একটি কেশ ছিঁড়ে দিলেন মর্ত্যলোকের ঐ বৈজ্ঞানিককে। গবেষণার বিশদ বিবরণ আপনি জানতেও চাইলেন না।”

মর্ত্যলোকের বৈজ্ঞানিক তো দাড়ি পেয়ে মহাখুশী। তিনি তাই নিয়ে স্নানাহার ভুলে গবেষণায় মন দিলেন। দাড়ির গোড়ায় যে কয়টি কোষ লেগে ছিল তাদের আলাদা করে বিভিন্নভাবে উদ্দীপিত করে বিভাজন করতে সমর্থ হলেন তিনি। আর তার ফলে ঐ কোষগুলি এমন একটি অবস্থায় উপনীত হল যে তখন তাদের যদি গর্ভধারণে সক্ষম কোন নারীর গর্ভে উপযুক্ত সময়ে স্থাপন করা যায় তো তাহলে তার থেকে একেবারে আপনার অবিকল নকল, একেবারে আনকোরা নতুন ব্রহ্মা সৃষ্টি করা যায়। এইভাবে একাধিক নারীর গর্ভে একই সময়ে একাধিক ব্রহ্মা সৃষ্টি করা সম্ভব। এই পদ্ধতিকেই বলে ক্লোনিং। গরু-ভেড়া ক্লোন করে মানুষ এই কায়দাটায় সুদক্ষ হয়ে উঠেছে। সৃষ্টি-রহস্যের নিরিখে গাছের ডাল মাটিতে পুঁতে বা কলম করে নতুন গাছ তৈরী করার সাথে এর অনেকটা মিল আছে।”

সব শুনে ব্রহ্মা বললেন, “নারদ, তোমার ব্যাখ্যা শুনে আমার মাথা ঘুরছে। আমি স্বয়ম্ভূ, এই বিশ্বের সৃষ্টিকর্ত্তা, একমেবাদ্বিতীয়ম্‌। আর তুমি বলছ মানুষ শুধু গরু-ভেড়ার নকল নয়, মানুষের, মায় সৃষ্টিকর্ত্তারও নকল করতে শিখেছে। তাও এক নয় – একই সঙ্গে একাধিক। কিন্তু এ কেমন সৃষ্টি? কোন কামনা-বাসনা নেই, স্ত্রী-পুরুষের মিলন নেই, সৃষ্টিতে কোন বৈচিত্র নেই – শুধুই নকল! না না এ চলতে পারে না। আমাকে এর একটা বিহিত করতেই হবে। মানুষের, দেবতার, বিশ্বের সৃষ্টিকর্ত্তা একমেবাদ্বিতীয়ম্‌ ব্রহ্মার কলম – কি সাংঘাতিক কথা! তাছাড়া এক বিশ্বে একাধিক ব্রহ্মা – তা কি করে সম্ভব? আমার মাথার মধ্যে সবকিছু যেন গুলিয়ে যাচ্ছে। আমার সৃষ্টি-রহস্যের সন্ধান পেয়ে মানুষ আমারই নকল বানাতে চায়! শুনেছি মানুষ ঝগড়া-মারামারি করতে আর তোমার মত ঝগড়া লাগাতেও খুব ওস্তাদ। তা ওরা গোটা তিন চার নকল ব্রহ্মা সৃষ্টি করে ছেড়ে দিক, আর দিক তাদের মধ্যে ঝগড়া লাগিয়ে। তাতে তো আমার সৃষ্টির দফারফা হবে। ক্লোনিং করা ব্রহ্মারা সৃষ্টিকর্ত্তা না হয়ে সংহারকর্ত্তা হয়ে উঠবে। এতো দেখছি সর্বনাশের অশনি সংকেত।”

ব্রহ্মা নারদের কাছে ক্লোনিং এর ব্যাখ্যা শুনে যেমন উদ্বিগ্ন হলেন তেমনি আবার খানিকটা উৎসাহিত হলেন জানতে যে জীবন-সৃষ্টির রহস্যভেদে মানুষ আর কি কি আবিস্কার করেছে। বিশেষত ক্লোনিং এর ব্যাখ্যায় ইঁদুরের পিঠের উপর মানুষের কান গজানোর ব্যাপারটা তাঁর কাছে মোটেই পরিস্কার হল না। তিনি নারদকে বললেন, “তোমার ক্লোনিং এর ব্যাখ্যায় জীবন-সৃষ্টি-রহস্যের মানব-জ্ঞান সম্পর্কে একটা অস্পষ্ট ধারণা তৈরী হলেও নরকর্ণমুষিক কি করে মানুষ বানালো তার মাথা-মুণ্ডু কিছুই বুঝলাম না। তুমি আবার বলছ কান অস্ত্রোপচার করে ইঁদুরের পিঠে বসানো হয়নি। তাহলে কান গজালো কি করে? তুমি সবিস্তারে আমাকে ব্যাখ্যা কর।” নারদ বললেন, “পিতামহ, আপনার জগৎ এবং জীবন সৃষ্টি=রহস্যের আমি কিছুই জানিনা। তবে অনুসন্ধান করে মানুষের আবিস্কার সম্পর্কে যেটুকু জানতে পেরাছি তা বলছি। আপনি আপনার সৃষ্টি-রহস্যের সাথে মিলিয়ে নিন। নরকর্ণমুষিক সৃষ্টি হল জেনেটিক ইজ্ঞিনিয়ারিং-এর কারসাজি। জীবনসৃষ্টির অনুসন্ধানে মানুষ জীবকোষের অভ্যন্তরে কি আছে আর কি ঘটছে তার রহস্য উন্মোচন করেছে। মানুষ হরেকরকম সূত্র অনুসন্ধান করতে খুব পারদর্শী। যেমন পতঞ্জলি অনুসন্ধান করে বের করেছেন যোগসূত্র, বাৎসায়ন লিখেছেন কামসূত্র, নিউটন দিয়েছেন মহাকর্ষ-অভিকর্ষ সূত্র। ইদানীং ওয়াট্‌সন এবং ক্রীক নামে দুই অনুসন্ধানী কোষের মধ্যে খুব সূক্ষ্ম একপ্রকার সূত্র আবিস্কার করেছেন। ঐ সূত্রের তাঁরা ক্রোমোজোম, ডি এন এ, জিন ইত্যাদি জটিল সব নাম দিয়েছেন। সহজ কথায় আমরা ঐ সুত্রকে জীবন-সূত্র বলতে পারি। এই জীবন-সূত্র কুণ্ডলীভূত অবস্থায় কোষের কেন্দ্রে অবস্থান করে। জট ছাড়িয়ে তাদের সোজা করলে দেখতে হয় পাক দেওয়া দড়ির মইয়ের মত (২ নং চিত্র দ্রষ্টব্য)।

 চিত্র ২ – ডি এন এ বা জীবন-সূত্র



এই সূত্রের বিভিন্ন অংশ দেহের বিভিন্ন অঙ্গের গঠন ও কার্য্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করে। যেমন, কোন অংশ চামড়ার বা চুলের রঙ নির্দেশ করে, আবার কোন অংশ নাক বা কান দেখতে কেমন হবে সেটা ঠিক করে। আমার মনে হচ্ছে মানুষ কোনভাবে মুষিক দেহকোষের মধ্যে ঢুকে মানব-জীবন-সূত্রের যে অংশটি কর্ণের গঠন নির্দেশ করে সেটিকে মুষিক-জীবন-সূত্রের পৃষ্ঠগঠনকারী অংশের মধ্যে প্রতিস্থাপিত করতে সক্ষম হয়েছে (৩ নং চিত্র দ্রষ্টব্য)। আর তার থেকেই ইঁদুরের পিঠের উপর মানুষের কান গজিয়েছে। জীবন-সূত্রের একটা অংশ কেটে অন্য অংশের সাথে জুড়ে দিয়ে এইরকম কারসাজি করার নাম জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।

 চিত্র ৩ – মুষিক-পৃষ্ঠ জীবন-সূত্রের মধ্যে নর-কর্ণ জীবন-সূত্র প্রতিস্থাপিত


সব শুনে ব্রহ্মা বললেন, “হূম্‌”। তারপর তাঁদের মধ্যে কি আলোচনা হল জানা নেই।
ওয়েলিংটন, নিউজিল্যাণ্ড
২০ আগষ্ট, ২০০৬।

নরকর্ণের পুনরাগমন

সাত বছর আগে ‘নরকর্ণ-মুষিক সংবাদ’ লিখেছিলাম। এখন মানুষের কান আবার সংবাদে ফিরে এসেছে। তবে এবার ইঁদুরের পিঠে চেপে নয়। বাংলায় প্রচলিত পদ্ধতিতে ঠাকুর গড়ার সময় কাঠ-বাঁশ-খড়ের তৈরী কাঠামোর উপর মাটি ধরিয়ে একমেটে দুমেটে করে যেভাবে ধীরে ধীরে মূর্তি তৈরী করা হয়, সেই কায়দায়। ‘নরকর্ণ-মুষিক সংবাদ’এ উল্লিখিত ‘জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং’ থেকে এই পদ্ধতিটি আলাদা। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘টিস্যু ইঞ্জিনিয়ারিং’। জীবন্ত কোষ দিয়ে কৃত্রিম উপায়ে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের টিস্যু বা কলা তৈরী করার কৌশল এটি। পদ্ধতিটি এখনও তার শৈশব অতিক্রম করেনি। কর্ণ-নির্মাণের এই খবরটি বিবিসি প্রকাশ করেছে। জ্যান্ত কান তৈরীর জন্য গরু-ভেড়ার শরীর থেকে কোষ সংগ্রহ করে একটি নমনীয় টাইটানিয়াম তারের জালের উপর স্থাপন করা হয়েছিল। উপযুক্ত রসদ সরবরাহ করে কোষগুলিকে উদ্দীপিত করায় সেগুলি বিভাজিত হয়ে ওই তারজালে লেপ্টে থাকে এবং পুরো জিনিষটি ধীরে ধীরে একটি মানুষের কানের আকৃতি পায়। বিজ্ঞানীদের আশা খুব শীঘ্রই মানুষের শরীরের কোষ দিয়েও এই কর্ণ-নির্মাণ কর্মটি সম্পন্ন করা যাবে। ভাবগতিক দেখে মনে হচ্ছে ‘কানকাটা’ লোকেদের এবার আর চিন্তা থাকবে না। যে কোন কারণের জন্য এক বা দু কান কাটা গেলেও অস্ত্রোপচার করে এই জ্যান্ত কান লাগিয়ে নিলেই হল!

ওয়েলিংটন, নিউজিল্যাণ্ড
২ আগষ্ট, ২০১৩।

Please Sign in or Create a free account to join the discussion

bullet Comments:

 

 

  Popular this month

 

  More from Dilip

advertisement

PrabashiPost Classifieds



advertisement


advertisement


advertisement